Home সারাদেশ ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা জনতার মহাসমাবেশে বক্তারা

ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা জনতার মহাসমাবেশে বক্তারা

by jonoterdak24
0 comment

 

মাধবপুর প্রতিনিধি:

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা জনতার মহাসমাবেশে বক্তারা বলেছেন, আগামীতে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে সরকার ক্ষমতায় না আসলে যুদ্ধাপরাধীর বিচার বাধাগ্রস্ত হবে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসীদের চরম মূল্য দিতে হবে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অনেক ক্ষেত্রে বিরাট সাফল্য লাভ করেছে দেশে ও বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে। এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া থেকেই সকল মুক্তিযোদ্ধারা নির্বাচনী প্রচার শুরুর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। দেশে শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও রায় কার্যকর হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধপরাধের অভিযোগ রয়েছে তাদেরকেও বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে শক্তি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এখন এগিয়ে চলছে। দেশে যুদ্ধপরাধী, রাজাকার ও জঙ্গিরা এখনো সক্রিয় রয়েছে। তারা সুযোগ পেলে আবার বিষধর সাপের ন্যায় ফনা তুলে জাতিকে দংশন করবে। এই তিন অপশক্তি যাতে আবার ক্ষমতায় না আসতে পারে সে ব্যাপারে মুক্তিযোদ্ধাদের বেশি ভূমিকা রাখতে হবে। প্রতিটি পাড়া মহল্লায় মুক্তিযোদ্ধা ও  তাদের সন্তানদের সজাগ থাকতে হবে।

হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আয়োজনে বুধবার (০৪ এপ্রিল) ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া দিবস উপলক্ষে স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণে মুক্তিযোদ্ধা জনতা মহাসমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন।

মুক্তিযোদ্ধা সন্তান মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোকলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ৩নং সেক্টর কমান্ডার সাবেক সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কেএম শফিউল্লা বীরউত্তম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সাবেক মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্যাপ্টেন (অব.) এবিএম তাজুল ইসলাম তাজ এমপি, হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাহবুব আলী, মুক্তিযোদ্ধা কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল হেলাল মুর্শেদ খান, আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়কারী আব্দুল হান্নান খান, পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা, হবিগঞ্জ স্থানীয় সরকার উপপরিচালক শফিউল আলম, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা যুগ্ম মহাসচিব শফিকুল বাহার মজুমদার টিপু, আনোয়ার হোসেন পাহাড়ী বীর প্রতীক, শরিফ উদ্দিন, ক্যাপ্টেন (অব.) কাজী কবির উদ্দিন।

অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- হবিগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মোহাম্মদ আলী পাঠান, ঢাকার কমান্ডার আমীর হোসেন মোল্লা, নরসিংদীর কমান্ডার মোতালেব, আমরা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি হুমায়ুন কবির, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম নয়ন, ফরিদপুরের কমান্ডার ফয়েজ হোসেন, মাধবপুর সংসদের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার আব্দুল মালেক মধু প্রমুখ।

মুক্তিযোদ্ধা নেতারা ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়াকে জাতীয়ভাবে দিবস ঘোষণা, ব্যবস্থাপক বাংলোকে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি যাদুঘর এবং স্মৃতিসৌধের উন্নয়নে পর্যাপ্ত আর্থিক বরাদ্দের দাবি জানান।

সমাবেশে সদ্য প্রয়াত বীরবিক্রম আব্দুর রহমান এবং চা শ্রমিক সন্তান তীরন্দাজ বাহিনীর প্রধান রবীন উরাংসহ পাঁচজনকে সম্মাননাপত্র দেয়া হয়।

Related Posts

Leave a Comment


cheap jerseyscheap jerseyscheap nfl jerseyscheap jerseys from chinacheap mlb jerseyscheap nhl jerseyscheap jerseyscheap nfl jerseyscheap mlb jerseyscheap nfl jerseys