Home শিক্ষা জাফলং গুচ্ছ গ্রাম বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মেধাবী। সরকারের নজরে পড়ছে না।

জাফলং গুচ্ছ গ্রাম বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মেধাবী। সরকারের নজরে পড়ছে না।

by jonoterdak24
0 comment

আবু সালাম আজাদঃ1 জাফলং গুচ্ছ গ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা লেখা পড়া বেশ আগ্রহী। তাই রোদ্র বৃষ্টি ঝড়ের মাঝে ও বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে নিয়মিত উপস্থিত তাকেন। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রচুন্ড গরমের মধ্য দিয়ে লেখা পড়া চালিয়ে যাচ্ছে। বিদ্যালয়ের তিনটি শ্রেণী কক্ষ আছে একটির শ্রেণী কক্ষের মধ্য ও শিক্ষার্থীদের বিদ্যুৎতিক পাখার ব্যবস্থা নেই। প্রচূন্ড গরম কে অপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে লেখা পড়া করেন। পি এস সি পরীক্ষায় শত ভাগ পাশ করেছেন এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীগণ। তাই এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীগণের আনন্দের চেয়ে বেদনায়ই অনেক বেশি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেঞ্চ টেবিলের অভাবে শিক্ষার্থীগণ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে লেখাপড়া করেন বৃষ্টির দিনে। রোদ্ররের দিনে মাটিতে চলার বস্তা বিছিয়ে লেখাপড়া করেন ঐ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীগণ। বিদ্যালয়টি টিন দিয়ে নির্মান করা হয়েছে। অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষা প্রতিষ্টানটি টিন চালা দিয়ে গ্রামবাসি অর্থে নির্মান করা হয়েছে। এবং এই অবস্থা দেখে বিভিন্ন সংঘটন থেকে বিদ্যালয়ে কিছু অর্থ প্রতিষ্টানটির জন্য দান করা হয়। এই দিয়ে বিদ্যালয়ের কিছু বেঞ্চ চ্যায়ার টেবিল বানানো হয়। আপনারদের মনে হয় তো প্রশ্ন? কি করে বিদ্যালয়টি চলছে। কারা এই বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা কি ভাবে শিক্ষা দান করছেন। এই প্রশ্ন গুলো আপনাদের কাছে রেখে সামনের দিকে এগিয়ে আপনাদের কাছে একজন ব্যাক্তিকে পরিচয় করিয়ে দেই, যার কথা না বলেই নয়, যার অকল্যাণ পরিশ্রর্মের কারণে আজ গুচ্ছ গ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয়। তাকে আপনারা সবাই চিনেন সে আর কেউ নয় সাংবাদিক করিম মাহমুদ লিমন তারই কঠিন পরিশ্রমের কারণে আজ গুচ্ছ গ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়টি মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। যাই হক আপনাদের কাছে বলছিলাম শিক্ষক শিক্ষিকার কথা। প্রধান শিক্ষক মোঃ সুহেল আহমদ সহকারী শিক্ষক জালাল আহমেদ, নূরজাহান আক্তার আনোয়ারা আক্তার। তবে রহস্য জনক কথা হলো, তারা সবাই বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীগণ। নিজের লেখা পড়ার পাশাপাশি গুচ্ছ গ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তারা ছাত্র ছাত্রীদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করছেন। দু বছর যাবত বিনা পয়সায় শিক্ষার আলো বিতরণ করছেন এই চার শিক্ষক গুচ্ছ গ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। তাই তো আমরা বলি শিক্ষক শিক্ষিকা হচ্ছেন পিতামাতার সমতুল্য। এই চার শিক্ষক চাইলে পারত সরকারী মহলে কোন চাকরী করত। কিন্তুক চার শিক্ষকের টাকার প্রতি কোন প্রকার লোভ নেই বলেই চলে। তাই তারা সেচ্ছায় শিক্ষা দান করছেন গুচ্ছ গ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। বিভিন্ন মহলের সহ যোগিতায় আজ গুচ্ছ গ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়টি একটুকু খাড়া হয়ে দাড়িয়েছে। তাই এলাকাবাসীর প্রতাশা সরকার যেনও গুচ্ছ গ্রাম বিদ্যালয়টির প্রতি নজর দারি করেন। এবং এই বিদ্যালয়টি সরকারী অন্তরভূক্ত করে গুচ্ছ গ্রামবাসিকে নিরক্ষরতা দূর করতে সরকার যেন ও এগিয়ে আসেন।

Related Posts

Leave a Comment


cheap jerseyscheap jerseyscheap nfl jerseyscheap jerseys from chinacheap mlb jerseyscheap nhl jerseyscheap jerseyscheap nfl jerseyscheap mlb jerseyscheap nfl jerseys