Home আন্তর্জাতিক দুরন্ত জয়ে ফাইনালে মাশরাফি বাহিনী

দুরন্ত জয়ে ফাইনালে মাশরাফি বাহিনী

by jonoterdak24
0 comment

রফিকুল ইসলাম কামাল, বুধবার, ০২ মার্চ ২০১৬ :: এ ম্যাচের দিকে চোখ ছিল গোটা বাংলাদেশের। জিতলেই ফাইনাল, এমন সমীকরণের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষা। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে দুরন্ত, দুর্দান্ত এক জয়ে এশিয়া কাপের ফাইনালে পা রেখেছে মাশরাফি বাহিনী। গতবছর এপ্রিলে রান তাড়া করে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৭ উইকেটে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। সেই সুখস্মৃতিকে আজ আবারও মিরপুরে ফিরিয়ে আনলেন মাশরাফি-সাকিবরা। একইসাথে গত এশিয়া কাপের ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ২ রানে হারার মধুর এক প্রতিশোধই নিল বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের জয়ের ভিত্তিটা গড়ে দিয়েছিলেন বোলাররা। দুর্দান্ত বোলিংয়ে পাকিস্তানিদের মাত্র ১২৯ রানে বেঁধে ফেলেন মাশরাফি, আল আমিন, তাসকিনরা। এরপর দায়িত্বটা ছিল ব্যাটসম্যানদের। পা হড়কাবার ভয় ছিল। কিন্তু হড়কে নি! হড়কাতে দেননি দুরন্ত টাইগার ব্যাটসম্যানরা। শক্তিশালী পাক বোলিং লাইন আপকে তছনছ করে দিয়ে জয়ের বন্দরে বাংলাদেশকে পৌঁছে দিয়েছেন সৌম্য, মুশফিকরা।

ইনিংসের দ্বিতীয় আর নিজের প্রথম ওভারের প্রথম বলেই পাকিস্তানী খুররম মনজুরকে (১) সাজঘরের পথ দেখান আল-আমিন। এ নিয়ে তৃতীয়বার টি-টোয়েন্টিতে নিজের প্রথম ওভারেই উইকেট শিকারের আনন্দে মাতোয়ারা হলেন আল-আমিন।

আল-আমিনের পর আঘাত হানেন এবারের এশিয়া কাপে প্রথমবারের একাদশে আসা বাঁহাতি স্পিনার আরাফাত সানী। তার করা প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই বোল্ড শারজিল খান (১০)। আরাফাতের মতো অধিনায়ক মাশরাফিও নিজের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে ফিরিয়ে দেন মোহাম্মদ হাফিজকে (২)।

আরেক পেসার তাসকিন আহমেদ করেছেন অসাধারণ বোলিং।  নিজের প্রথম ওভারে ১ রান দেওয়ার পর দ্বিতীয় ওভার নিয়েছিলেন মেডেন। তৃতীয় ওভারে এসেই উমর আকমলকে সাকিবের তালুবন্দি করেন তাসকিন। ১৮ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা পাকিস্তানকে টেনে তুলেন সরফরাজ আহমেদ ও শোয়েব মালিক। তারা ৭০ রানের জুটি গড়ে বিপর্যয় সামাল দেন। তবে মালিক (৪১) সানীর শিকারে পরিণত হলে ভাঙে জুটি। ঠিক পরের ওভারেই আল-আমিনের বলে ডাক মেরে বিদায় নেন আফ্রিদি। পরে আনোয়ারকেও দ্রুতই ফিরিয়ে দেন আল আমিন। ৭ উইকেটে ১২৯ রানে থেমে যায় পাকিদের ইনিংস।

জবাবে শুরুতে তামিম ইকবালের (৭) উইকেট হারালেও বিপর্যয় সামাল দিয়ে ওঠেন সৌম্য ও সাব্বির। তবে দলীয় ৪৬ রানে আফ্রিদির ঘুর্ণিতে ফিরে যান সাব্বির (১৪)। এরপর মুশফিককে নিয়ে ৩৭ রানের জুটি গড়েন সৌম্য। দলীয় ৮৩ রানে আমেরের দুর্দান্ত ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে অর্ধশতকের ২ রান আগে ফিরে যান সৌম্য সরকার। মুশফিকও (১৪) ফিরে যান ৫ রান পরেই। এরপর ধুঁকতে ধুঁকতে সাকিবও দ্রুত ফিরে গেলে উইকেটে আসেন মাশরাফি। এসেই আমেরের পর পর দুই বলে ৪ হাঁকিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন। পরের ওভারের সামির দুই নো বলের সুযোগ নিয়ে দুর্দান্তভাবে জয় থেকে এ পা দূরে চলে আসেন মাশরাফিরা। শেষ ওভারে আনোয়ার আলীর প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে আনেন মাহমুদুল­াহ

Related Posts

Leave a Comment


cheap jerseyscheap jerseyscheap nfl jerseyscheap jerseys from chinacheap mlb jerseyscheap nhl jerseyscheap jerseyscheap nfl jerseyscheap mlb jerseyscheap nfl jerseys