Home আন্তর্জাতিক মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানাতে সিলেটে ‘ইনোভেটর’র বইপড়া উৎসব

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানাতে সিলেটে ‘ইনোভেটর’র বইপড়া উৎসব

by jonoterdak24
0 comment

নিজস্ব প্রতিবেদক :: বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের সবচেয়ে গৌরবের বিষয় মুক্তিযুদ্ধ। সেই গৌরবের সঠিক ইতিহাস ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে জীবনমান উন্নয়ন সংস্থা ‘ইনোভেটর’ ২০০৬ সাল থেকে আয়োজন করে চলেছে বইপড়া উৎসব। প্রতি বছর টানা এই আয়োজনের ধারাবাহিকতায় এবারও সিলেটে শুরু হয়েছে বইপড়া উৎসব।

শনিবার বিকেলে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গনে এই উৎসবের উদ্বোধন করেছেন বিশিষ্টজনরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এডভোকেট লুৎফুর রহমান।

নিজের বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘এই দেশ আপনাআপনি জন্ম নেয় নি। অনেক ত্যাগের বিনিময়ে এই দেশের জন্ম হয়েছে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে হবে। এজন্য যতো বেশি সম্ভব মুক্তিযুদ্ধের উপর লিখিত বই সংগ্রহ করে পড়তে হবে।’ তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে এ দেশের জন্ম হতো না, আমিও মুক্তিযোদ্ধা হতাম না।’

জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হয় বইপড়া উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। ইনোভেটর’র মুখ্য সঞ্চালক ও সিসিক কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদের সভাপতিত্বে বইপড়া উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেটের জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার বলেন, ‘একসময় পাড়ায় পাড়ায় বই নিয়ে মাতামাতি ছিল। বই পড়া ছিল নেশার মতো। কিন্তু সেই মাতামাতি কিছুটা স্তিমিত হয়ে পড়েছে। ইনোভেটরের উদ্যোগে মুক্তিযুদ্ধের বই দিয়ে বইপড়া আন্দোলন আবার জাগছে, এটা অবশ্যই আনন্দের।’

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘যদি জায়গা পাওয়া যায়, তবে সিলেট নগরীতে আমরা সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে মুক্তিযুদ্ধের পাঠাগার ভবন করে দেব।’

ইনোভেটর’র চিফ কো-অর্ডিনেটর জান্নাতুল ফেরদৌসের শুভেচ্ছা বক্তব্য ও নির্বাহী সঞ্চালক প্রণব কান্তির স্বাগত বক্তব্যে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ক্যান্সার নির্ণয়ের যন্ত্রের উদ্ভাবক গবেষক ড. জহিরুল আলম চৌধুরী, এভারেস্টজয়ী প্রথম বাংলাদেশী মুসা ইব্রাহিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মদন মোহন কলেজের অধ্যক্ষ ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হিমাদ্রি শেখর রায় প্রমুখ।

বইপড়া উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগামী ২৩ ফেব্রুয়ারি বইপড়া উৎসবের পরীক্ষা এবং মার্চে হবে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এছাড়া আজ বইপড়া উৎসবে রেজিস্ট্রেশন করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বই বিতরণ করা হয়।

Related Posts

Leave a Comment