Home অপরাধ যে কারনে মিরাবাজারে মা-ছেলে খুন হলেন

যে কারনে মিরাবাজারে মা-ছেলে খুন হলেন

by jonoterdak24
0 comment

 

জনতার ডাক:

: সিলেট নগরীর মিরাবাজারে রোকেয়া বেগম ও তার ছেলে রবিউল ইসলাম রুকন খুনের রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। মামলায় মুল সন্দেহভাজন তানিয়া আক্তারকে স্বামীসহ গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
সোমবার ভোরে কুমিল্লার তিতাস থানাধীন ঘোষকান্দি গ্রামের নিজবাড়ি থেকে তানিয়াকে ও রবিবার বিকেলে সিলেট নগরীর বন্দরবাজার থেকে তার স্বামী ইউসূফ মামুনকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তানিয়া ও তার স্বামী মামুন পিবিআই’র কাছে রোকয়া এবং তার ছেলে রোকনকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছেন পিবিআই সিলেটের বিশেষ পুলিশ সুপার রেজাউল করিম মল্লিক।

সোমবার সন্ধ্যায় নগরীর উপশহরে পিবিআই কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে রেজাউল করিম মল্লিক বলেন- প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তানিয়া ও তার স্বামী মামুন ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে বলে স্বীকার করেছে।

তানিয়াকে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করার কারণেই খুন হয়েছিলেন সিলেট নগরীর মিরাবাজারের খারপাড়ায় রোকেয়া বেগম (৪০) ও তার ছেলে রবিউল ইসলাম রোকন (১৭)। তানিয়া আক্তার ও ইউসুফ খান মামুনকে জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই)-এর বিশেষ পুলিশ সুপার রেজাউল করিম মল্লিক।

পুলিশ সুপার রেজাউল করিম মল্লিক জানান, হযরত শাহজালাল মাজারে তানিয়া ও মামুনের দেখা হলে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেম থেকেই তানিয়া ও মামুনের বিয়ে হয়। তারপর তানিয়াকে দেহ ব্যবসায় বাধ্য করেন রোকেয়া বেগম।

এই ক্ষোভ থেকেই রোকেয়া বেগম ও তার ছেলেকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তানিয়া। পরিকল্পনায় ছিলেন মামুন ও নাজমুলও। জিজ্ঞাসাবাদে এমনটাই উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন রেজাউল করিম মল্লিক।

তিনি জানান, রোকেয়ার ছেলে নিহত রবিউল ইসলামও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত ছিলেন বলে দাবি করেন তানিয়া।

তিনি আরো জানান- পূর্ব পরিকল্পনা থেকে ঘটনার দিন শুক্রবার (৩১ মার্চ) সন্ধ্যার দিকেই তানিয়া ও তার স্বামী মামুন রোকেয়া বেগমের বাসায় যায়। এদিন রাতে তারা রোকেয়া এবং তার ছেলে-মেয়েকে খাবারের সাথে ঘুমের ঔষধ খায়িয়ে অচেতন করে। রাত আনুমানিক ২টার দিকে মামুন ছুড়ি দিয়ে রোকেয়ার গলায় আঘাত করে এবং পরবর্তীতে মৃত্যু নিশ্চিত করতে রোকেয়ার শরীরে শতাধিক ছুড়িকাঘাত করে। এরপর তারা রোকেয়ার ছেলে রোকনকে ছুড়িকাঘাত করে এবং গলাটিপে মৃত্যু নিশ্চিত করে। জীবিত উদ্ধার হওয়া রোকেয়া বেগমের পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে রাইসাকেও তারা হত্যার উদ্দ্যেশ্যে ঘুমের ঔষধ খাওয়ায় এবং গলা চেপে ধরে। রাইসাও মারা গেছে এমন ধারণায় তারা রাতেই এই বাসা ত্যাগ করে।

হত্যাকান্ড শেষে তারা মিরাবাজার খাঁরপাড়ার বাসা থেকে কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় তানিয়ার বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়। পথিমধ্যে কোন এক যায়গায় তারা হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত ছুড়ি ও কাপড় ফেলে যায় বলেও জানান পিবিআই’র এ কর্মকর্তা।

উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল দুপুরে নগরীর মিরাবাজার খাঁরপাড়ার মিতালী আবাসিক এলাকার একটি ভবনের নিচতলা থেকে রোকেয়া বেগম ও তার ছেলে রবিউল ইসলাম রুকনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ সময় রোকেয়ার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ে রাইসা বেগমকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করা হয়

Related Posts

Leave a Comment


cheap jerseyscheap jerseyscheap nfl jerseyscheap jerseys from chinacheap mlb jerseyscheap nhl jerseyscheap jerseyscheap nfl jerseyscheap mlb jerseyscheap nfl jerseys