Home আন্তর্জাতিক লন্ডনের সোয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একক বক্তৃতা

লন্ডনের সোয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একক বক্তৃতা

by jonoterdak24
0 comment

জনতার ডাক ডেস্ক:

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন, দর্শন, চিন্তা-চেতনা এবং ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে নবপ্রজন্মসহ বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের কাছে তুলে ধরতে লন্ডনে দি হার্ড রোড টু বাংলাদেশ ইন্ডিপেন্ডেন্স এন্ড দি মিনিং অব সেভেন মার্চ শীর্ষক একক বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

যুক্তরাজ্য ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান দি সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশন ও সোয়াস সাউথ এশিয়া ইন্সটিটিউট ইউনিভারসিটি অব লন্ডন যৌথভাবে এই একক বক্তৃতার আয়োজন করে।

প্রথমবারের মত লন্ডনে গত ১০ এপ্রিল (মঙ্গলবার) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় সোয়াস ইউনিভারসিটির ব্রনি গ্যালারী ল্যাকচার থিয়েটার হলে শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন-দর্শন ও ৭ই মার্চের ভাষণের উপর একক বক্তৃতা ২০১৮ এর আয়োজন করা হয়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের দুর্গম পথ এবং ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের তাৎপর্য উঠে আসে গবেষণা মূলক বক্তব্যে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণের বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষণা মূলক বক্তব্য প্রদান করেন ইন্সটিটিউট অব কমনওয়েলথ স্টাডিজের প্রফেসর জেমস ম্যানর। প্রফেসর জেমস ম্যানরের গবেষণা মূলক বক্তব্য শুনতে সোয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বাঙ্গালী অবাঙ্গালী গবেষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশ নেন। এ অনুষ্ঠানে অংশ নেয়াদের অধিকাংশই তরুণ প্রজন্মের।

আয়োজকরা জানান যদিও ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ এবং বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে পশ্চিমা বিশ্বের মানুষ সামান্যতম ধারনা রাখলেও অনেকেই এর বিষয় বস্তু সম্পর্কে সম্পূর্ণ অবগত নন। বিভিন্ন দেশের গবেষকসহ অনেকই এর আদিঅন্ত জানতে আগ্রহী। তাই সাউথ এশিয়া ইন্সটিটিউট সোয়াস-এবং সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ। ২০১৪ সাল থেকে দি সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশন ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি বৃটেন এবং বাংলাদেশে নিয়মিত সেমিনার করে আসছে।

প্রফেসর জেমস ম্যানর তার গবেষণা মূলক বক্তব্যে একটি জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে জাতির জন্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন উৎসর্গের বিভিন্ন খুঁটিনাটি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, শেখ মুজিবের জন্মের কারণে একটি জাতি ফিরে পেয়েছে তাদের জাতীয় পরিচয়, স্বাধীনতা এবং এবং মুক্তি। আর এ কারণেই বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক আন্তর্জাতিক হ্যরিটেজের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

ভাষণ শুনতে সোয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ে আরো উপস্থিত ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর পুত্র রাশেদ সোহারাওয়ার্দী, লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার নাজমুল কাউনাইন, লন্ডনস্থ বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠন যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফসহ বৃটেনে বাংলাদেশী কমিউনিটির বিশিষ্ট জনেরা।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সোয়াস বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিরেক্টর প্রফেসর এডওয়ার্ড সিমসন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশনের চেয়ার গবেষক নূরুদ্দিন আহমদ তার ধন্যবাদ জ্ঞাপন বক্তব্যে বলেন সেভেন মার্চ ফাউন্ডেশন জাতির পিতার ঐতিহাসিক ৭ইমার্চের ভাষণের বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষণার পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরতে কাজ করে যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানে আগতদের অনেকেই এই উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। কয়েকজন বিদেশী জানান এর আগে তারা বাংলাদেশ সম্পর্কে জানলেও বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশের গণহত্যার ভয়াবহতা সম্পর্কে এতটা অবগত ছিলেন না

 

Related Posts

Leave a Comment


cheap jerseyscheap jerseyscheap nfl jerseyscheap jerseys from chinacheap mlb jerseyscheap nhl jerseyscheap jerseyscheap nfl jerseyscheap mlb jerseyscheap nfl jerseys